ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার ছেলে-মেয়েদের বিরুদ্ধেও মামলা

নির্বাচন বিশেষজ্ঞ, সংবাদ বিশ্লেষক, পোলস্টার সর্বোপরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্বকে চমক দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।একের পর এক ছোট বড় কাহিনীতে সংবাদপত্রের শিরোনামে নাম উঠে আসছে ট্রাম্পের। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল ‘ব্যাপক এবং ক্রমাগত’ আইন ভঙ্গে অভিযোগ তুলে ট্রাম্প ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। একইসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার ছেলে-মেয়েদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বারবারা আন্ডারউড বলেছেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে এই দাতব্য সংস্থাটি ‘অবৈধ রাজনৈতিক সমন্বয়ের’ সঙ্গে জড়িত ছিল।

 

ওই মামলায় ফাউন্ডেশনটি বন্ধ করে দিতে এবং ২৮ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণও দাবি করা হয়েছে।তবে ট্রাম্প ফাউন্ডেশন এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, এগুলো রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

 

এদিকে এ ঘটনায় টুইটারে কড়া জবাব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য’ সব কিছু করছে ‘নোংরা নিউ ইয়র্ক ডেমোক্রেটরা’। তিনি এই মামলা রফাদফা করবেন না বলেও অঙ্গীকার করেছেন।

 

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রাপ্তবয়স্ক তিন ছেলে-মেয়ে ডোনাল্ড জুনিয়র, এরিক ও ইভানকা যাতে নিউ ইয়র্কভিত্তিক কোনও দাতব্য সংস্থার বোর্ডেও থাকতে না পারেন সেটিরও চেষ্টা করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

ক্যানসার সেরে যাবে মাত্র ৪৮ ঘণ্টায়, দাবি বিজ্ঞানীদের

ক্যানসার নিঃসন্দেহে মারণব্যাধি। ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সংস্থার হিসেবে প্রতিবছর ৭৬ লাখ মানুষ ক্যানসারে মারা যায়। কিন্তু সঠিক সময়ে ক্যানসারকে যদি চিহ্নিত করা যায়, এবং যথাযথ চিকিৎসার সুফল যদি মেলে তাহলে ক্যানসারকেও পরাজিত করা সম্ভব। এর জন্য দরকার ক্যানসারের উপসর্গ সম্পর্কে সচেতনতা।ক্যনসারের জীবাণু ধ্বংস করতে লাগবে মাত্র ৪৮ ঘণ্টা। বিজ্ঞানীরা বলছেন তাদের নতুন এই আবিষ্কারে ক্যানসার রোগ সারাতে আরও একধাপ এক যেতে পারবে চিকিৎসা বিজ্ঞান। ড্যানডেলিওন রুট’ নামের একটি বুনোফুল গাছ নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা এমন প্রমাণ পেয়েছেন।

একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ড্যানডেলিওন রুট (dandelion root) স্বাভাবিকভাবে ক্যানসারের খারাপ কোষগুলো ধ্বংস করে দ্রুত সুস্থ করতে সাহায্য করে। আশানুরূপ ফল পেয়ে বিজ্ঞানীরা এটি ক্যানসার রোগীদের উপর ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। বিজ্ঞানীদের তরফ থেকে জানানো হয় ড্যানডেলিওন রুট চায়ের মাধ্যমে এ্যাপোপটোসিস (Apoptosis) ঘটে যা ক্যানসারের কোষ নিয়ন্ত্রণ করে।

এর ফলে সেলটির নিজের ক্ষতি হয় কিন্তু মানুষের শরীর সার্বিকভাবে উপকৃত হয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ‘ড্যানডেলিওন রুট’ দিয়ে তৈরি করা ওষুধ প্রয়োগে ৪৮ ঘণ্টায় ক্যনসারের কোষ অনেকটাই ধ্বংস করা সম্ভব।

মহানবী (সাঃ) এর অলৌকিক একটি ঘটনা!

আকায়ে নামদার তাজেদারে মদীনা, দুলালে আমিনা হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা আহমদ মুস্তফা (সঃ) যে সত্যই আল্লাহর রাসূল, তা তাঁর শৈশবের অনেক ঘটনা থেকেই প্রকাশ পায়, যা কোন সাধারণ শিশুর পক্ষে সম্ভব নয়। হযরত হালিমা বর্ণনা করেন, ”শিশু মুহাম্মদ (সঃ)-কে আমার গৃহে আনার সাথে সাথেই রহমত বরকত প্রকাশ হতে লাগল।

এতো পরিমাণ দুধ নির্গত হলো যে, হযরত (সঃ) এবং তাঁর দুধ ভাই একান্ত তৃপ্তির সাথেই দুধ পান করে ঘুমিয়ে পড়তেন।” আর উটনীর দিকে চেয়ে দেখতে পাই, সেগুলোর স্তন দুধে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে।

বিবি হালিমা বলেন, ”আমার স্বামী উটনীর দুধ দোহন করলেন এবং আমরা তৃপ্তির সাথে তা পান করে সারারাত আরামে কাটালাম। দীর্ঘদিন পর এটাই প্রথম রাত্রি, যাতে আমরা শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়লাম।” আমার স্বামী বললেন, ”হালিমা! তুমি খুবই ভাগ্যবান।

শিশু নিয়ে এসেছ।”আমি বললাম, আমারও এটাই ধারণা, এই শিশু অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। বিবি হালিমা আরও বলেন, ”মক্কা থেকে ফেরার পথে শিশু মুহাম্মদ (সঃ)-কেকোলে নিয়ে যে দুর্বল বাহনটিতে চলতে লাগলাম, মুহাম্মদ (সঃ)-এরবরকতে বাহনটি এত দ্রুত চলল যে, সবার বাহনকেই হার মানাল।” আমারসাথী মহিলারা আশ্চর্য হয়ে বলতে লাগল এটা কি সেই দুর্বল সাওয়ারী যার ওপরআরোহণ করে তোমরা প্রথম এসেছিলে?”এরপর বাড়ী এসে দেখলাম, সমস্ত বকরীগুলো দুধে পূর্ণ হয়ে আছে। অথচ কিছুক্ষণ পূর্বে সেগুলো দুধ শূন্য ছিল।

আমার গোত্রের লোকেরা তাদের রাখালদের নির্দেশ দেয় যে, তোমরাও তোমাদের পশু ঐ জায়গায় চরাও যেখানে হালিমার বকরী চরে, কিন্তু তা তো চারণ ক্ষেত্রের বিশেষত্ব ছিল না। বরং গায়েবী মদদ ও বরকত এর মধ্যে নিহিত ছিল, তা ঐ সমস্ত লোক কোথায় পাবে। এভাবে আমরা প্রায়ই, তাঁর বরকতের ঘটনাবলি প্রত্যক্ষ করতাম। হযরত হালিমা বর্ণনা করেছেন, তিনি কখনও শিশু মুহাম্মদ (সঃ)-কে উলঙ্গ অবস্থায় রাখতে পারতেন না। সেরূপ করলেই তিনি চিৎকার করে কাটাতেন, যতক্ষণ পর্যন্ত তার শরীরের উপর চাদর টেনে দেয়া না হতো ততক্ষণ তিনি ক্রন্দন থামাতেন না।

হালিমা বলেন, যেদিন হতে আমি জানতে পারলাম, শিশু মুহাম্মদ (সঃ) উলঙ্গ থাকতে পছন্দ করেন না, সেদিন হতে আর কখনও তাঁকে উলঙ্গ রাখিনি। তাঁর দেহ আবৃত করে রাখার জন্য সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রাখতাম। হযরত আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, তিনি রাসূল (সঃ)-কে বলেছেন, আপনার নবুয়তের একটি মাত্র নিদর্শন ছিল আমার ইসলাম গ্রহণের কারণ। তা হলো, তিনি দেখলেন, রাসূল (সঃ) শৈশব অবস্থায় আঙ্গুলী সংকেতে চাঁদকে ইশারা করছেন।

রাসূল (সঃ) যে দিকেই তাঁর আঙ্গুলী ফেরাচ্ছিলেন, চাঁদও ঠিক সে দিকেই আসা যাওয়া করছিল। (বায়হাকী) রাসূল (সঃ) নবী হওয়ার এও একটি উজ্জ্বল প্রমাণ। শিশু হযরত (সঃ) হালিমার গৃহে থাকা কালে কখনও তাঁর উভয় স্তন হতে দুধ পান করেননি। সব সময় তিনি একটি স্তন থেকেই দুধ পান করতেন। অপরটি তাঁর দুধভাইয়ের জন্য রেখে দিতেন। ন্যায়বোধের এমন চরম দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে খুবই বিরল।

সত্যই এটা একজন মহামানবের পক্ষেই সম্ভব হতে পারে। শিশু রাসূল (সঃ)-এর দ্রুত বর্ধনশীল দৈহিক অবস্থাও একটি লক্ষণীয় বিষয়। দু’মাস বয়সের সময় তিনি অন্যান্য শিশুদের সাথে হামাগুড়ি দিয়ে ফিরতে লাগলেন। তিন মাসের সময় দেয়াল ধরে হাঁটতে লাগলেন। যখন তাঁর বয়স মাত্র পাঁচ মাস তখন বিনা অবলম্বনে হাঁটতে শিখলেন। সাত মাস বয়সের সময় তিনি ফিরতে লাগলেন এবং মাত্র আট মাস বয়সের সময় তিনি কথা বলতে সক্ষম হন। তাঁর এই গুণগুলো নিশ্চই তাঁর মুজেযার মধ্যে অন্তর্ভূক্ত এবং তিনিই উম্মতে মুহাম্মদীর শাফায়েতের কাণ্ডারী।

সারোয়ারে কায়েনাত দোজাহানের সম্রাট রাসূল (সঃ) অতি শৈশবকাল থেকেই একান্তভাবে পাক সাফ থাকতেন। শিশুরা সাধারণত নিজের পায়খানা প্রস্রাব নিজের অঙ্গে প্রত্যঙ্গে বা জামা কাপড়ে মেখে থাকে, এমনকি তা মুখে দিয়ে থাকে। রাসূল (সঃ)-এর দুধমাতা হালিমা (রাঃ) বর্ণনা করেন, ”শিশু মুহাম্মদ (সঃ) কখনও বিছানায় পেশাব পায়খানা করতঃ- নিজ অঙ্গ বা কাপড় অপবিত্র করেননি। তাঁকে বিছানা থেকে উঠিয়ে দু’পায়ের উপর দাঁড় করান ব্যতীত কখনও পায়খনা পেশাব করতেন না।

সাথে সাথে তাঁকে পরিষ্কার করে দিতাম। তিনি যে আল্লাহতা’য়ালার সৃষ্ট নূরের তৈরি মানুষ তাতে আমার কোন সন্দেহ ছিল না। সুতরাং সর্বাবস্থায় পাক সাফ থাকা তাঁর পক্ষে অস্বাভাবিক কিছু নয়। মহানবী (সঃ)-এর দেহ নূরের তৈরি বলে তাঁর শরীরের কোন ছায়া ছিল না। মানুষের ছায়া কত ময়লা-আবর্জনার ওপর পতিত হয় , কত পশু-পাখী অথবামানুষের পায়ের তলায় পতিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর পবিত্র দেহের ছায়া এভাবে অপদস্থ হওয়া আল্লাহ তা’আলার অভিপ্রেত নয়। এজন্য আল্লাহ তা’আলা তাঁর দেহ ছায়াহীন করে তৈরি করেছেন।

একই কারণে তাঁর দেহের ওপর কখনও মাছি বসেনি। কেননা মাছি অপবিত্র বস্তু হতে জন্ম লাভ করে। তাই মাছির দেহও অপবিত্র। তাই তা রাসূল (সঃ)-এর শরীরে কোনদিন স্থান পায়নি। হযরত মাইসারা (রাঃ) ছিলেন হযরত খাদিজা (রাঃ)-এর দাস। তাঁকে খাদিজা (রাঃ) রাসূল (সঃ)-এর খেদমতে পেশ করেন। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অলৌকিক ঘটনা প্রত্যক্ষ করে বিম্ময়ে অভিভূত হয়েছেন। তিনি দেখেছেন, রাসূল (সঃ) যখন পথ দিয়ে চলতেন, তখন এক খণ্ড মেঘ তাঁর মাথার ওপর ছায়া বিস্তার করে তাঁর সঙ্গে সঙ্গে ভেসে বেড়াত। মানুষের প্রতি প্রকৃতির এই যে অযাচিত অভাবিক কার্যকলাপ, এটা নিঃসন্দেহে রাসূল (সঃ)-এর একটি বড় রক মুজেযা যা রাসূল (সঃ)-এর শৈশবকাল থেকেই লক্ষ্য করা যায়। উপরে বর্ণিত প্রত্যেকটি বিষয়ই রাসূল (সঃ)-এর শৈশবকালীন মুজেযা।

তবে এগুলো স্থায়ী নয়। বিশ্বনবীর জীবনে শ্রেষ্ঠ মুজেযা হচ্ছে আল-কোরআন। যা কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে। তাছাড়া আমরা তাঁর জীবনী আলোচনা করলে দেখতে পাই, মহানবী (সঃ)-এর পুরো সংগ্রামী জীবনটাই অলৌকিকতায় পরিপূর্ণ। যা তাঁর নবুয়তের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ বহন করে।

গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের ছাদেই চাষ হচ্ছে গাঁজা!

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় দিবস হলের ছাদে গাঁজা গাছের সন্ধান পাওয়া গেছে। পরে হলের প্রভোস্ট জুবাইদুর রহমানের নির্দেশে ছাদ থেকে গাঁজা গাছগুলোকে অপসারণ করা হয়।

সোমবার সকালে ওই হলের কয়েকজন আবাসিক ছাত্র হলের ছাদে গিয়ে এ গাঁজা গাছ দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে জানান।

এদিকে হলের ছাদে গাঁজা গাছের সন্ধান পাওয়ার খবরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান, সরকার দেশকে যখন মাদকমুক্ত করতে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে-ঠিক তখন জাতির জনকের নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসের ছাদে গাঁজার চাষ করা হচ্ছে খবরটি দুর্ভাগ্যজনক। হলের মাদকাসক্ত শিক্ষার্থীরা কাজটি করতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি অনুসন্ধান করে মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বিজয় দিবস হলের প্রভোস্ট জুবাইদুর রহমান বলেন, আগে এ হলের কতিপয় শিক্ষার্থী মাদকসেবনের সঙ্গে জড়িত ছিল। বর্তমানে হলটি মাদকমুক্ত। গাঁজার পড়ে থাকা বীজ থেকে বৃষ্টির পানি পেয়ে গাছটি অঙ্কুরিত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মাদ আশিকুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, গাঁজা গাছের বিষয়ে হলের প্রভোস্টকে অবগত করে দেয়া হবে এবং সবাইকে সচেতনতার জায়গা থেকে গাছগুলো উপড়ে ফেলতে বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চেষ্টায়ই ক্যাম্পাসকে মাদকমুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

‘আমি তোমার ডাক্তার, আমার কাজ এগুলা করা; চুপ করে শুয়ে থাকো

আমি তোমার ডাক্তার – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের চিকিৎসক রিয়াদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী (১৭)।

গতকাল সোমবার রাজধানীর শাহবাগ থানায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের সাধারণ নিবন্ধন শাখায় (জিআর) এই মামলার এজাহার আসে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কিশোরী ওই ছাত্রীর বাড়ি ভোলা জেলায়। সে চর্মরোগে আক্রান্ত ছিল। গত বছরের ৬ অক্টোবর ভোলার যমুনা মেডিকেল সার্ভিসেসে ডাক্তার রিয়াদ সিদ্দিকীর কাছে ওই ছাত্রী তার চর্মরোগের সমস্যা নিয়ে পরামর্শ নিতে যায়। বিএসএমএমইউর ডাক্তার হলেও রিয়াদ সিদ্দিকী প্রতি শুক্রবার ভোলায় রোগী দেখতেন। ডাক্তার রিয়াদ প্রথম সাক্ষাতের সময় ওই কিশোরীকে বিবস্ত্র করে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে মলম লাগিয়ে দেন। এ বিষয়ে কিশোরী প্রতিবাদ করলে ডাক্তার রিয়াদ বলেন, ‘আমি তোমার ডাক্তার। আমার কাজ এগুলা করা, আমি এগুলো করব।’ এ বলে ওই চিকিৎসক ছাত্রীর সব স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেন এবং কাউকে কিছু বলতে বারণ করেন। এরপর ছাত্রী লজ্জায় কাউকে কিছু বলেনি।

এরপর গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ওই ছাত্রী পুনরায় চিকিৎসা করাতে ডাক্তার রিয়াদের কাছে যায়। ওই দিন ডাক্তার রিয়াদ আবার জোড় করে বিবস্ত্র করেন এবং যৌন কাজে লিপ্ত হন। ওই ছাত্রী তখন চিৎকার করলে ডাক্তার ওড়না দিয়ে তার মুখ বেঁধে ফেলেন। ছাত্রীকে বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ডাক্তার রিয়াদ ওই ছাত্রীর কিছু গোপনীয় ছবি তুলেন এবং তা ইন্টারনেটে তুলে দেওয়ার হুমকি দেন। সেই সঙ্গে ছাত্রীকে নিয়মিত তার কাছে আসতে বলেন। এরপর ডাক্তার বিভিন্ন সময়ে ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে ফোন করে জানান, আপনার মেয়ের মরণব্যাধি রোগ হয়েছে। তাকে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিতে হবে। এ ছাড়া ডাক্তার রিয়াদ সিদ্দিকী ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে তাদের মেয়েকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন।

গত ৩০ ডিসেম্বর ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে ফোন দিয়ে ডাক্তার রিয়াদ বলেন, আপনার মেয়ের চিকিৎসার জন্য বোর্ড বসানো হবে। পরের দিন ৩১ ডিসেম্বর ছাত্রীর মা-বাবা মেয়েকে নিয়ে সকালে ঢাকায় আসেন এবং বিএসএমএমইউ হাসপাতালে এসে পৌঁছান।

এরপর ডাক্তার রিয়াদকে ফোন দিলে ওইদিন সকাল ১০টায় মা-বাবা হাসপাতালের বটগাছের সামনে দেখা করেন এবং বোর্ড বসিয়ে ডাক্তার দেখানো হবে বলে ক্যান্টিনে অপেক্ষা করতে বলেন। ডাক্তার রিয়াদ ওই ছাত্রীকে হাসপাতালের বি ব্লকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে যান এবং ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন। ওই ছাত্রী কান্নাকাটি করে এবং একপর্যায়ে পালিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে চিকিৎসক রিয়াদ সিদ্দিকীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার জীবনের একটি অতি গোপন রহস্য ফাঁস

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার জীবনের- কারও সাথে কি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন নাকি বলিউড থেকে এসে একা একাই সময় কাটাচ্ছেন? – এই ধরণের বহু প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে প্রিয়াঙ্কা জানিয়েই দিলেন তার মনের কথা। মিডিয়ার প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান যে বলিউড থেকে হলিউডে পদার্পন করে এতোদিনেও তিনি কারো সাথেই সম্পর্কে জড়াননি।
কোয়ান্টিকোর সমস্ত সহ অভিনেতাই বিবাহিত। সেই কারণেই কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়াতে চাননি তিনি। সুতরাং, এখনও তিনি সিঙ্গেল আছে বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছেন।

বলিউডে থাকাকালীন শাহরুখ খানের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানো নিয়ে বি-টাউনে নানা রকম গসিপ শুনতে পাওয়া যেত। শুধু তাই নয়, প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার জন্যই শাহরুখ এবং স্ত্রী গৌরির মধ্যে সম্পর্কও এক সময় খারাপ হচ্ছিলো বলে শোনা যায়। কিন্তু এবিষয়ে কখনও মিডিয়ার সামনে মুখ খোলেননি বি-টাউনের বাদশা। পিগি চপস ও নিজের মুখ বন্ধ রেখেছিলেন।

এবারও সেই সমস্ত পুরোনো বিতর্কে পাশ কাটিয়ে মার্কিন মুলুকের এক ম্যাগাজিনের জন্য সাক্ষাৎকার দিলেন তিনি। আর সেখানেই তিনি জানিয়েছেন যে কোয়ান্টিকোর কোনো সহ অভিনেতার সঙ্গেই সম্পর্ক নেই তার। তিনি ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করতে চান।

মাদকসেবন করে জিয়া পরিবারের ১ সদস্য মারা গেছেন:হাসান মাহমুদ

বিএনপি মাদকাসক্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী হকার্স লীগের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আজকে মাদক একটি বড় সমস্যা। মাদকের বিস্তারে যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। মাদকের সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সরকার যখন ব্যবস্থা নিচ্ছে তখন মাদকাসক্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিএনপি। কারণ জিয়া পরিবারের একজন সদস্য মাদকাসক্ত হয়ে মারা গেছে। উনাদের (বিএনপি) মধ্যে থেকে অনেকে টেলিভিশনের সামনে যখন কথা বলে তখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারে না।

বিএনপিকে অনুরোধ জানিয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, অতীতে জঙ্গিদের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, এখন মাদকাসক্তদের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। আপনারা এ স্থান থেকে বেরিয়ে আসুন। এই নীতি থেকে বেরিয়ে এসে কোনো পরামর্শ থাকলে সেই পরামর্শ দিন। আমরা সুপরামর্শ গ্রহণের মানসিকতা রাখি।
তিনি বলেন, বিএনপির এখন রাজনীতি হচ্ছে বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য। কারা কর্তৃপক্ষের একজন ডাক্তার প্রতিদিন সকাল-বিকেল তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে থাকেন এবং প্রতি সপ্তাহে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দিয়ে বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। তিনি আগে যে ওষুধ সেবন করতেন, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। এখনও সেই ওষুধ সেবন করছেন। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষের ডাক্তার, তার ব্যক্তিগত ডাক্তারদের চেয়েও এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে রিজভী আহমেদ, ফখরুল ইসলাম ও মওদুদ আহমদ বড় ডাক্তার। মওদুদ আহমেদ ব্যারিস্টার হয়েও মাঝে মধ্যে মনে হচ্ছে বড় ডাক্তার। তাদেরকে অনুরোধ করব, এ সমস্ত কথা বার্তা বলে জনগণের মাঝে বিভ্রান্ত ছড়াবেন না।

আদালত সরকারের হুকুমে চলে-বিএনপির এমন অভিযোগের ভিত্তিতে হাছান মাহমুদ বলেন, গতকাল বেগম জিয়া জামিন পেয়েছেন। এটাই প্রমাণ হচ্ছে আদালত বাংলাদেশে স্বাধীনভাবে কাজ করে। সেই কারণে গতকাল বিএনপির নেত্রী জামিন পেয়েছেন। আমি বিএনপি নেতাদের বলবো, আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই এগিয়ে চলাকে অব্যাহত রাখতে হলে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশারী করতে হবে। যে অপশক্তি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, মাদকাসক্তদের পাশে দাঁড়ায়, শ্রমিকদের উপর পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে তাদেরকে নির্মূল করতে হবে।
এদিকে, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়রদের কাছে দাবি রেখে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বলেন, প্রতি সপ্তাহে একদিন হলি মার্কেটের ব্যবস্থা করানো হোক। এতে হকার ও জনগণ উপকৃত হবে।

আওয়ামী হকার্স লীগের সভাপতি এস এম জাকারিয়া হানিফের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদ প্রমুখ।

সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য দুঃসংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে পরিস্থিতি ভালো নয়। বিশেষ করে বেশকিছু নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে আছে। যেগুলো সচল, সেগুলোর কর্মকাণ্ডও ধীরগতিতে চলছে। এতে হাজার হাজার শ্রমিক বিপদের মধ্যে আছেন।

আকামা নেই, কাজ নেই, বেতন নেই— এমন ৫০–১০০ জন শ্রমিক প্রতিদিনই বাংলাদেশ দূতাবাসে ভিড় জমাচ্ছেন। এর পরও দেশে বেশকিছু রিক্রুটিং এজেন্সি মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ৫–৬ লাখ টাকা নিয়ে সৌদি আরবে শ্রমিক পাঠানো অব্যাহত রেখেছে।
বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার সৌদি আরব। দেশটির অর্থনীতিতে চলছে রূপান্তরের পালা। সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য দুঃসংবাদ, নতুন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ঘোষিত ভিশন ২০৩০ কর্মসূচির অধীনে শ্রমবাজারে শতভাগ স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সৌদি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

পাশাপাশি জ্বালানি খাতের ওপর অর্থনীতির নির্ভরতা কমানোরও উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি। সৌদি অর্থনীতির এ পালাবদলের চোরাবালিতে আটকা পড়ছেন সে দেশে প্রবাসী বাংলাদেশীরা। প্রতিদিনই কাজ হারাচ্ছেন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রবাসী। নিয়োগকর্তার দেয়া অনুমতিপত্র বা আকামা হারিয়ে এরা হয়ে পড়ছেন অবৈধ অভিবাসী। এরপর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়ে অনেকে ফিরছেন দেশে।

জানা গেছে, সৌদি আরবে কাজের ক্ষেত্রে বিদেশীদের সে দেশে বসবাসের অনুমতিপত্র বা ওয়ার্ক পারমিট থাকতে হয়। আরবিতে এ অনুমতিপত্রের নাম ‘ইকামা’। প্রবাসীদের মুখে শব্দটি আকামা বলে পরিচিত। সৌদি কোম্পানিগুলো তাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশী শ্রমিকের নামে আকামা ইস্যু করার পরই সেটি দেখিয়ে দূতাবাস থেকে ভিসা নিতে হয়। প্রবাসে থাকাকালেও কর্মীদের আকামা নিয়ে চলতে হয়।

কোনো কারণে আকামা হারিয়ে গেলে ওই দেশে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। যেকোনো সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নাজেহাল হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই আকামা হারালে সঙ্গে সঙ্গে নিয়োগকর্তাকে জানাতে হয়। পরবর্তীতে নিয়োগদাতা নতুন আকামার ব্যবস্থা করে দেন। এছাড়া পেশা পরিবর্তন করতে চাইলেও নতুন করে আকামা বা অনুমতিপত্রের প্রয়োজন পড়ে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আকামা সমস্যা সমাধানে প্রতিদিনই সৌদির বাংলাদেশ দূতাবাসে শ্রমিকরা অভিযোগ করছেন। দূতাবাস থেকে এ বিষয়ে ঢাকায় লিখিত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব সমস্যা দূতাবাসের পক্ষে একা সমাধান করা সম্ভব নয়। এজন্য সৌদি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশী শ্রমিকদের মধ্যে যারা আকামা জটিলতায় পড়েছেন, কোম্পানি থেকে তাদের আকামা করে দেয়ার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ কোম্পানি সেটি করছে না। তবে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে দূতাবাস। এরই মধ্যে দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের তত্ত্বাবধানে রিয়াদের অদূরে এবিভিরক কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কর্মহীন ৫০০ শ্রমিককে বিভিন্ন পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হচ্ছে

মামীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় ভাগীনা, অতঃপর…

মামীর সাথে আপত্তিকর – ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলায় মামীর সাথে ভাগীনাকে বিছানায় অসামাজিক কার্যকালাপে লিপ্ত থাকার সময় হাতেনাতে আটক করে গনধোলাই দিলো বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

গত ২৫ মে শনিবার রাত ১০.৪০ মিঃ উপজেলার ৬নং নেপা ইউনিয়নের বাঘাডাংগা জিনজিরে পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।আটককৃত মামী একই গ্রামের ডুবাই প্রবাসী ইউনুছ আলির স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী মোছাঃরেহেনা খাতিন(৪০) ও ভাগীনা আতিয়ার রহমানের ছেলে মোঃওয়াসিম উদ্দিন(২৮)।

ঐ রাত্রে রেহেনা খাতুন নিজ বাড়িতে ভাগীনা ওয়াসিমের সাথে অৈবধ মেলামেশার সময় পাশের বাড়ির ছাদে থাকা আসমাউল,ফরজ আলি,হাকিম ও আহাদ আলি বিষয়টি আঁচ করতে পেরে এলাকাবাসীদের নিয়ে তাদের হাতেনাতে আটক করে গনধোলাই দিয়ে সারারাত আটকিয়ে রাখে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,পরের দিন ২৬ মে রাত ১১.০০ টার সময় ইউপি সদস্য মমিন মিয়া ও ছায়েরা খাতুন এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সালিশে বসে তাদেরকে জনসম্মুখে তওবা কাটিয়ে উত্তমমাধ্যম দিয়ে একপর্যায়ে মিমাংসা করা হয়।

তারা আরও জানায় যে মামী রেহেনা ও ভাগ্নে ওয়াসিম দীর্ঘদিন ধরেই তাদের অবৈধ জৈনিক কার্যকালাপ চালিয়ে আসছিলো।ইউপি সদস্য মমিন মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান,বিষয়টি অত্যান্ত লজ্জাজনক,ঘটনাটি জানার পরে আমি ও মহিলা ইউপি সদস্যসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গদের নিয়ে শালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসা করা হয়েছে।

বেড়েছে মালয়েশিয়ান রিংগিত রেট, জেনে নিন আজকের রেট কত!

আজ ২৯ মে ২০১৮ ইং, প্রবাসী ভাইরা দেখে নিন আজকের মালয়েশিয়ান রিংগিত বিনিময় মূল্য। মনে রাখবেন, যেকোন সময় মুদ্রার বিনিময় মূল্য উঠা-নামা করতে পারে।

আজ MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত) ১ = ২১.৬৫৭৪৳ (তথ্যটি মানিগ্রাম ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া হয়েছে)

গতকাল ২৮ মে ২০১৮ ইং, MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত) ১ = ২১.৪৩৫২৳

প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন। যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন।

বিকাশ এবং হুন্ডি এটা অবৈধ পন্থা এই পথে টাকা পাঠাবেন না। আপনারা ব্যাংকের মধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পাঠান এতে আপনার টাকার গ্যারান্টি আছে, বাংলাদেশের রেমিটেন্স বাড়বে দেশের উপকার হবে।

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের পেজে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন। যে যেখানে আছেন নিরাপদে থাকুন, আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন।