3:06 pm - Tuesday September 26, 0767

অবশেষে পরিচয় মিললো নিহত সেই অজ্ঞাত কিশোরী ও পাশে থাকা শিশুটির

ময়মনসিংহের নান্দাইলে মঙ্গলবার সকালে অটোরিকসার চাকার সাথে ওড়না আটকে শ্বাসরোধে নিহত অজ্ঞাত কিশোরী ও পাশে বসে কান্না করা শিশুটির। বুধবার (২৩আগস্ট) সাড়ে ১১টায় উক্ত কিশোরী ও শিশুর সঠিক পরিচয়ের সন্ধান পাওয়া যায়।নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অজ্ঞাত কিশোরী কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব সদর উপজেলার পঞ্চবতী গ্রামের শফিক মিয়া ও শাহানা খাতুনের একমাত্র মেয়ে সোহাগী আক্তার (১৬) এবং তাঁরই ভাই শিশু সোহাগ (৪)। কিশোরী ও শিশু ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার উদ্দ্যেশ্যে সোমবার (২১ আগস্ট) ভূলক্রমে ঢাকা-তাড়াইল যাত্রাগামী বাসে উঠে পড়লে নান্দাইল উপজেলা সদরে নেমে পড়ে এবং রাত্রী গভীর হওয়ায় উপজেলার ধুরুয়া গ্রামের রেনুয়ারা বেগমের বাড়িতে রাতে আশ্রয়স্থল গ্রহন করে।

 

পরদিন মঙ্গলবার (২২আগস্ট) সোহাগী আক্তার ও তার ভাই শিশু সোহাগ ফের বাড়ির উদ্দ্যেশ্যে একটি অটোরিকসায় উঠলে চলন্ত অটোরিকসার চাকায় যুবতীর ওড়না আটকে গেলে সে মারা যায়। ড্রাইভার অটোরিকসাটিকে নান্দাইল উপজেলা সদর হাসপাতাল গেইটে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার কিশোরীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ অটোরিকসাটি আটক করে থানায় নিয়ে যায়। উক্ত কিশোরী ও শিশুর পরিচয় সন্ধানের জন্য নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ এবং কর্মরত মিডিয়াকর্মীরা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও অনলাইন ফেইসবুক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার করে।

নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোঃ ইউনুস আলীর পরামর্শক্রমে নান্দাইল মডেল থানার এসআই সাফায়েত হোসেন কিশোরগঞ্জ জেলায় অনুসন্ধান চালিয়ে বুধবার (২৩আগস্ট) সাড়ে ১১টায় উক্ত কিশোরী ও শিশুর সঠিক পরিচয়ের সন্ধান পান। নিহত সোহাগীর ভাই শিশু সোহাগকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেন। কিশোরী সোহাগীর লাশ ময়না তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসাপাতাল মর্গে প্রেরন করেন বলে জানা যায়।

Filed in: নিখোজ সংবাদ
[X]